বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন এইচ টি ইমাম

793
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বাদ আছর গুলশানের আজাদ মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।  পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া আকবর আলী সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। বাদ আছর গুলশানের আজাদ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে এই রাজনীতিবিদকে।

বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১টায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চি‌কিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল ক‌রে‌ন তিনি। ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণকারী এইচ টি ইমামের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির শোক: এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির শোকরাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  বুধবার (০৩ মার্চ) রাতে আলাদা শোক বার্তায় তারা এ দুঃখ প্রকাশ করেন। বঙ্গভবন প্রেস উইং জানায়, শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে এইচ টি ইমামের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে আজীবন কাজ করে গেছেন। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সদ্য স্বাধীন দেশে সরকার পরিচালনায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে হারালো। রাষ্ট্রপতি মরহুম এইচ টি ইমামের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, এইচ টি ইমামে মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ প্রশাসনিক সার্ভিসে জনাব এইচ টি ইমামের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে প্রবাসী সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের পুরো সময়টাও তিনি একই পদে থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সাল থেকে জনাব ইমাম আমার প্রশাসনিক উপদেষ্টা হিসেবে এবং ২০১৪ সাল থেকে আমৃত্যু রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে অত্যন্ত প্রজ্ঞার সঙ্গে প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে কাজ করেন। জাতির পিতার আদর্শের এই কর্মী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য হিসেবে দলকেও সমৃদ্ধ করেছেন।

শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

শেয়ার করতে ক্লিক করুন