সংক্রমণ-মৃত্যু কমলেও নেই স্বস্তির অবকাশ

1014
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর পেরিয়ে গেছে ১৪ মাস। মে মাসের শেষদিন পর্যন্ত কেটে গেছে ৪৫০ দিন। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ওঠানামা করেছে। তবে সংক্রমণের এক বছর পার হওয়ার পর চলতি বছরের এপ্রিলে দেখা যায় একমাসে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। এই সংখ্যা এর আগের সর্বোচ্চ সংক্রমণ শনাক্তের মাসের তুলনায় প্রায় দেড় গুণ বেশি। একমাসে করোনা সংক্রমণ নিয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যুও ঘটেছে এপ্রিলেই, যা এর আগের একমাসে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ! তবে এপ্রিলের তুলনায় মে মাসের ৩১ দিনে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের হার কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে মৃত্যু হারও।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে মে মাসে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের হার ও মৃত্যু সংখ্যা এপ্রিলের তুলনায় কমে এলেও এতে স্বস্তির কোনো অবকাশ নেই। কারণ সর্বশেষ সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় যেভাবে সংক্রমণ শনাক্ত বাড়ছে তা উদ্বেগজনক। এই ঊর্ধ্বমূখী ধারা যদি নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তবে সংক্রমণ ছড়াতে পারে সারাদেশে। তাই এই পরিস্থিতি এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে জোর দিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সোমবারের (৩১ মে) তথ্য বলছে, ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ হাজার ৭১০ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এ নিয়ে গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার ৪৫০ দিনের মাথায় সংক্রমণ আট লাখ ছাড়াল।

মে মাসে করোনা সংক্রমণের তথ্য

দেশে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই করোনা সংক্রমণ বাড়ছিল দ্রুত গতিতে। সেই গতি এতটাই দ্রুত হয়ে পড়ে যে ২৯ মার্চের পর মাত্র ১৬ দিনে আরও একলাখ কোভিড সংক্রমিত ব্যক্তি যোগ হন মোট তালিকায়। আর তাতেই ১৪ এপ্রিল দেশে করোনা সংক্রমণ ছাড়িয়ে যায় সাত লাখের ঘর।

তবে এর পরে আবার সংক্রমণ শনাক্তের হারে নিম্মমুখী ধারা দেখা যায় মে মাসের শুরুর দিক থেকে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেওয়া সরকারের বিধিনিষেধে বন্ধ থাকে আন্তঃজেলা যোগাযোগ। একই সঙ্গে দেশে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ও রাজনৈতিক কর্মসূচিও বন্ধ থাকে এই সময়। ১৪ মে ঈদ পরবর্তী সময়ে দেশে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা কমে আসে। পরবর্তীতে সেটি বাড়লেও শনাক্তের হার এপ্রিলের তুলনায় কম থাকে।

মে মাসে দেশে চার লাখ ৭৭ হাজার ৮০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪১ হাজার ৪০৮ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। দেশে মে মাসের ৩১ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছে এক হাজার ১৬৯ জন। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় দেশে এই সময়ে সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এই মাসে দেশে ২ দশমিক ৮২ শতাংশ ছিল মৃত্যু হার। অর্থাৎ দেশে মে মাসে সংক্রমণ শনাক্তের হার মার্চ (১০.৩৯%) ও এপ্রিলের (১৮.৫০%) তুলনায় কমেছে।

তবে সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়ছে সংক্রমণ শনাক্তের হার। ইতোমধ্যেই স্থানীয়ভাবে লকডাউন দেওয়া হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায়। খুব শিগগিরই দেশের আরও কিছু এলাকা লকডাউনের আওতায় আসতে পরে বলে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে জানানো হয়েছে।

আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই

দেশে একদিকে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে বাড়ছে সংক্রমণ শনাক্তের হার, অন্যদিকে বিভিন্ন ধরণের ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতিও পাওয়া যাচ্ছে। এমন অবস্থায় মে মাসে সংক্রমণ শনাক্তের হার কম থাকলেও আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

জানতে চাইলে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ও মহামারি বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘দেশে শনাক্তের হার কমেছে বা কমছে। তার মানে কিন্তু এই নয় যে সংক্রমণ একবারেই শেষ হয়ে গেছে। তাই মাস্ক পরার উপরে জোর দিতে হবে। কোনোভাবেই আমরা এপ্রিলের প্রথম ১০ দিনের মতো অবস্থায় যেতে চাই না। যতদিন শনাক্তের হার পাঁচ শতাংশের নিচে আসবে না ততদিন আমাদের পরিকল্পনা করে এগুতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘জনসমাগম এড়িয়ে চলাটা খুবই জরুরি। এক্ষেত্রে পর্যটন কেন্দ্র, কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ রাখাটাও জরুরি। সামনে ঈদের সময় আসছে। আর সেই বিবেচনায় গণপরিবহন খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। নইলে দেখা যায় যে, যাত্রীরা ট্রাক বা পিকআপে গাদাগাদি করে গ্রামের বাড়ি যায়। যাতে করে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। এক্ষেত্রে যদি লকডাউন বা বিধিনিষেধ সম্ভব না হয় তবে গণপরিবহনে অর্ধেক আসন খালি রেখে চালানো নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি যদি কম থাকে তবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে। মূল কথা হলো- মাস্ক পরা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, হাত ধুতে হবে ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতেই হবে।’

জানতে চাইলে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শনাক্তের হার কমেছে দেখে আত্মতুষ্টিতে ভুগে হঠাৎ করে সব বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে পরিকল্পনার সঙ্গে সামনের দিনগুলোতে এগুতে হবে। সর্বত্র মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে জোর দিতেই হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন বলেন, ‘দেশে যদি সবাই মাস্ক পরে তবে অবশ্যই সংক্রমণ শনাক্তের হার কম থাকবে। মাস্ক পরে, হাত ধুয়ে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে পারলে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা কমে আসে।’

স্বাস্থ্য অধিদফতর গঠিত পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘দেশে সংক্রমণ শনাক্তের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে করণীয় একটাই- তা হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরলেই কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে অনেকে মুক্ত থাকতে পারে। আর এ অবস্থায় যদি সবাই নিয়মিতভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাসটা চালু রাখতে পারে তবে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে আসে অনেকটা। একই সঙ্গে অবশ্যই সবাইকে জনসমাগম এড়িয়ে চলতেই হবে।’

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে যা করণীয়

দেশে ২০২১ সালের মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই সংক্রমণ শনাক্তের হার বাড়তে থাকে দ্রুতগতিতে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশে সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিপর্যায়েও তারা সবাইকে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন।

দেশে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় হলো মানুষের মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ নিশ্চিত করা। নইলে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি কমানো কঠিন। এখন হয়তো সংক্রমণ শনাক্তের হারে কিছুটা নিম্মমুখী ধারা দেখা যাচ্ছে; কিন্তু সেটাতে সন্তুষ্ট হওয়ার উপায় নেই। করোনাভাইরাসের সমস্যাটি এমন যে, প্রতিরোধ করেই একে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তা না পারলে পরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে কুলিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। এখনো যদি আমরা এই বার্তাটি না বুঝি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলি, তাহলে আমাদের সামনে ভয়াবহ বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।’

সরকারের বিধিনিষেধ জারির বিষয়টিকে স্বাগত জানালেও এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনার অভাব রয়েছে বলে মনে করে ডা. নজরুল। তিনি বলেন, ‘সরকার বিধিনিষেধের সময়কাল বাড়িয়েছে— এমন প্রচারণা শুনছি। কিন্তু এটা কেন ও কী কারণে দেওয়া হচ্ছে তা জনগণকে বোঝাতে হবে। আমার ধারণা, জনগণের কাছে এই ধারণাটি এখনো স্পষ্ট নয়। আর তাই সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করলেও অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো মানা হচ্ছে না। জনগণের কাছে নির্দেশনা স্পষ্ট করতে হবে। তারা মানছে কি না, সেটি কঠোরভাবে মনিটরিং করতে হবে। যারা মানছে না, তারাও যেন মানতে বাধ্য হয়, এমন ব্যবস্থা নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি সীমান্তের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ছে। এটা কেন হচ্ছে? এর জন্য কিন্তু দায়ী অনেক কিছুই। বাণিজ্যিকভাবে ভারত থেকে অনেক ট্রাক আমাদের দেশে পণ্য নিয়ে আসে। সেগুলো আসার পর আমাদের দেশের শ্রমিকরা বিভিন্ন স্থানে সেই পণ্য পাঠানোর কাজ করে থাকে। সেখানে কিন্তু খুব একটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করে না তারা। এখন দেশে বিধিনিষেধ চলাকালে তো এগুলো বন্ধ রাখা হয়নি। কিন্তু বলা হচ্ছে, লকডাউন সারাদেশে। আদৌ কি তা? সবকিছু নিয়ে হেলাফেলা করতে করতে আজ পর্যন্ত আমরা একটা কাঠামোই দাঁড় করাতে পারিনি। আর এগুলো হয়েছে সমন্বয়হীনতার কারণেই।’

তবে ডা. নজরুলও বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের বিষয়টি। তিনি বলেন, ‘সবাই যদি মাস্ক পরে, সবাই যদি অন্য স্বাস্থ্যবিধিগুলো ঠিকমতো মেনে চলে, তাহলেই কিন্তু করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব ৯০ শতাংশের বেশি। ফলে মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে, বারবার সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে, না ধুয়ে চোখে-নাকে-মুখে হাত দেওয়া যাবে না, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে। সবাই এগুলো অনুসরণ করলে পরিস্থিতি এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

সরকারের পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. আবু জামিল ফয়সাল  বলেন, ‘দেশে বিভিন্ন রকমের ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতির পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মানুষের অবাধ চলাচলের কারনে বিভিন্ন স্থানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। তবে ভ্যারিয়েন্টের দোষ দিয়ে লাভ নেই। কারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানলে তো ভ্যারিয়েন্ট কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না। আর তাই মানুষের স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা আজকের এই অবস্থার তৈরি করেছে।’

আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) কার্যকরী সদস্য ডা. মোশতাক হোসেন বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি না মানলে সংক্রমণ বাড়বেই। আর তাই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিতে হবে। সংক্রমণের উৎস ও উৎপত্তিস্থল বিশ্লেষণ করে তারপর সেই পদক্ষেপ নিতে হবে।’

সরকারের আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ডা. মোশতাক বলেন, ‘সরকার দেশব্যাপী কিছু বিধিনিষেধ দিয়েছিল, সেগুলো সবাই অনুসরণ করেছেন— এটি বলা যায় না। এর মধ্যে যেসব এলাকায় সংক্রমণ বাড়ছে সেসব স্থানে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে । তবে এক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের পাশাপাশি সবাইকে মাস্ক পরার জন্য উৎসাহিত করতে হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়েও সবাইকে বোঝাতে হবে। এটা আইন প্রয়োগ করে সম্ভব হবে না। কারণ আইন সেখানেই প্রয়োগ করা যায় যেখানে সবাই সেটা মানে। তাই কঠোর হয়ে নয়, মানুষকে বোঝাতে হবে স্বাস্থ্যবিধি মানা বিষয়ে। একই সঙ্গে যেসব অস্বচ্ছল পরিবারের সদস্যদের মাঝে সংক্রমণ শনাক্ত হবে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে নিতে হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. নুসরাত সুলতানা লিমাও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণেই জোর দিতে বলছেন সবাইকে। তিনি বলেন, ‘দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রধানতম করণীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। বিশেষ করে মাস্ক পরার অভ্যাসটা চালু করা। কেউ মাস্ক পরে যদি বাইরে যান, তিনি হাঁচি-কাশি দিলেও কিন্তু মাস্ক তার কাছ থেকে ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা কমিয়ে দেবে। সেইসঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করলে তার কাছ থেকে ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা একেবারেই কমে যাবে। ফলে স্বাস্থ্যবিধিটা সবাইকে মানতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’

শেয়ার করতে ক্লিক করুন