বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দিতে রুপার পদক দেওয়ার সুপারিশ

729
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অবদানকে স্মরণ করে রাখতে সকল মুক্তিযোদ্ধাকে স্বীকৃতি দিতে রুপার পদক দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

রোববার (১০ অক্টোবর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি শাজাহান খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সরকার সকল মুক্তিযোদ্ধাকে স্মার্ট আইডি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পাশাপাশি তাদের একটি করে রুপার মেডেল দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছি আমরা। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

বৈঠকে সংসদীয় মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের জমি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বেশি বিক্রির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।

শাজাহান খান বলেন, কল্যাণ ট্রাস্টের অনেক সম্পত্তি পড়ে রয়েছে। আমরা এগুলো বিক্রি করে স্থায়ী আমানতের সুপারিশ করেছি। ওই সম্পত্তি যাতে বেশি দামে বিক্রি করা যায় তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। আর শহরের প্রাণকেন্দ্রে যে জমিগুলো রয়েছে সেগুলো বড় কোনো ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির কাছে বিক্রি করা যায় কিনা সেটা দেখতে বলেছি।

এছাড়া স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে স্থায়ী কমিটিকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়।

সারাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মাণ করা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলো কতটি শহরে এবং কতটি শহরের বাইরে অবস্থিত সে সংক্রান্ত তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

সেই সঙ্গে বৈঠকে চট্টগ্রামে কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পত্তি সরেজমিন পরিদর্শন ও কমিটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। চলতি মাসের শেষ দিকে যেখানে পরিদর্শনে যাওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভাপতি শাজাহান খানের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, রাজি উদ্দিন আহমেদ, কাজী ফিরোজ রশীদ এবং মোছলেম উদ্দিন আহমদ অংশ নেন।

এদিকে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বলা হয়, স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অবদান স্মরণ করে প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নিজ নিজ মুক্তিযোদ্ধা নম্বর সংবলিত একটি করে রুপার তৈরি পদক প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কল্যাণ ট্রাস্টের অপ্রয়োজনীয় সম্পত্তি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে বিক্রয়ের লক্ষ্যে যৌক্তিক মূল্যের বিবরণীসহ প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি সারসংক্ষেপ প্রেরণের সুপারিশ করা হয়।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন