গণপরিবহনে নৈরাজ্য, বাসের মুনাফা বৃদ্ধি অন্তত ১৫ টাকা

820
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

রাজধানীতে ৯৫ ভাগ বাসই গ্যাস চালিত। তাই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার অযুহাতে, গণপরিবহনে ২৬ শতাংশের বেশি ভাড়া বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক ও অবৈধ বলছেন যাত্রী কল্যাণ সমিতি। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির এই সময়ে বাড়তি ভাড়ায় সব মিলিয়ে চাপে পড়বে নিম্ন-মধ্যবিত্তরা।

আয়ের সাথে ব্যয় মেলানোর কঠিন চাপে জর্জরিত নিম্ন-মধ্যবিত্ত। মড়ার ওপর খড়ার ঘা হয়ে তাদের নতুন দুশ্চিন্তা ২৭ শতাংশ বাড়তি পরিবহন খরচ।

বাস মালিক ও ড্রাইভারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীতে এক লিটার ডিজেলে বাস চলে গড়ে ৫ কিলোমিটার। সেই হিসাবে ১৫ টাকা বৃদ্ধিতে প্রতি কিলোমিটারে বাড়তি জ্বালানি খরচ ৩ টাকা। তবে গড়ে ৪০ জন যাত্রী থাকলে বাসের কিলোমিটার প্রতি অতিরিক্ত আয় ১৮ টাকা। অর্থাৎ নতুন ভাড়ায় প্রতি কিলোমিটারে একটি বাসের লাভ বেড়েছে ১৫ টাকা।

সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, যৌক্তিক না হলে কিভাবে হলো? ২০১৯ সালে তো এ চেয়ে বেশি ভাড়া কস্টিং কমিটি কস্টিং করে রেখেছিল। আমরা তো তেলের দাম বাড়ানোর পরও সেই ভাড়া নেই নাই। আরও কমিয়ে নিয়েছি।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, রাজধানীতে প্রায় ৯৫ ভাগ বাস গ্যাস চালিত। তাই তেলের দাম বৃদ্ধির দোহাই দিয়ে সব পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি অযৌক্তিক।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে যে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে সেই ভাড়া সিএনজি চালিত, অকটেন চালিত, পেট্রোল চালিত সবকটি যানবাহনে অবৈধভাবে আদায় করছে। এই বাড়তি ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য তৈরি করে দেয়ার জন্য আমি মনে করি সরকার দায়ী। যে গাড়িতে সিএনজির কারণে ভাড়া বেড়েছে একই গাড়িতে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভাড়া বাড়িয়ে দেয়া হলো। যেটা অনৈতিক এবং অবৈধ।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন