ইউরোপে করোনা বাড়ছে, টিকা না পাওয়া লোকজনের ওপর বাড়তি কড়াকড়ি

757
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

ইউরোপের বেশকিছু অঞ্চলে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। ফলে নতুন পদ্ধতি হিসেবে, যাঁরা এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ টিকা নেননি বা পাননি, তাঁদের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করে সংক্রমণের লাগাম টানতে চাইছেন ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে গত সোমবার থেকে টিকা না নেওয়া লোকজনের ওপর লকডাউন শুরু হয়েছে। পানশালা, রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল এবং বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশে পূর্ণডোজ টিকাপ্রাপ্তির প্রমাণ দেখাতে হচ্ছে। যাঁরা গত ছয় মাসের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন, তাঁরাও সর্বত্র চলাচলের অনুমতি পাচ্ছেন।

যদিও জার্মানিতে সম্প্রতি দেখা দেওয়া করোনার ঊর্ধ্বগতির ঢেউ রাজধানী এলাকায় নয় বরং দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে। এসব এলাকায় টিকাদানের হার ততটা বেশি নয়।

এর আগে সম্প্রতি অস্ট্রিয়া তাদের দেশে টিকা না নেওয়া নাগরিকদের ওপর লকডাউন আরোপ করেছে। নতুন এ পদ্ধতি আরোপে অস্ট্রিয়াই প্রথম। এ নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে দেশটির সরকারকে।

এদিকে, শিগগিরই গোটা জার্মানিতেই টিকা না পাওয়াদের ওপর বাড়তি কড়াকড়ি আরোপ করা হতে পারে। প্রায় সাত দিন ধরে দৈনিক ৪০ হাজার নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে জার্মানিতে।

ইউরোপে টিকাদানের ধীরগতির দেশগুলোর অন্যতম জার্মানি ও অস্ট্রিয়া।

অন্যদিকে, পর্তুগাল ও স্পেন সর্বোচ্চ পর্যায়ে টিকাদান নিশ্চিত করে সর্বনিম্ন করোনার সংক্রমণ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

টিকাদানের ব্যাপকতা আনতে ইউরোপের দেশগুলো বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। গত সোমবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যে বুস্টার ডোজসহ টিকাপ্রাপ্তদের পূর্ণডোজ টিকাপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য করার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত।

ফ্রান্স এরই মধ্যে বুস্টার ডোজসহ টিকাপ্রাপ্তদের পূর্ণডোজ টিকাপ্রাপ্ত গণ্য করা শুরু করেছে। তা ছাড়া এ সপ্তাহে ১৬টি ইউরোপীয় দেশ থেকে টিকা না পাওয়া ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে নিয়ম চালু করেছে ফ্রান্স।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন