ভ্যাট মেশিনে ব্যবসায়ীদের অনীহা

499
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রনিক ফিসকেল ডিভাইস (ইএফডি) বা ভ্যাট মেশিন ব্যবহারে অনীহা লক্ষ্য করা গেছে। গত ১৪ মাসে রাজধানী ঢাকা এবং বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মাত্র ৩ হাজার ৪৭৮টি ভ্যাট মেশিন বসানো হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে ভ্যাটের মেশিন স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। এক বছর বিনা মূল্যে মেশিন দেয় ভ্যাট বিভাগ। কিন্তু গত অক্টোবর মাসে ভ্যাটের মেশিন কিনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে স্থাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়।

ভ্যাট মেশিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কিনতে হবে জেনে ব্যবসায়ীরা মেশিন ব্যবহারে অনীহা প্রকাশ করছে। এনবিআর একটি ভ্যাট মেশিনের দাম নির্ধারণ করেছে ২০ হাজার ৫৩৩ টাকা।

ব্যবসায়ীরা এককালীন অর্থ দিয়ে কিংবা তিন মাসের কিস্তিতে ভ্যাট মেশিন কিনতে পারবে। এক্ষেত্রে মেশিন বসানোর এক মাসের মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ১০ হাজার ৫৩৩ টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরের দুই মাসে ৫ হাজার টাকা করে পরিশোধ করা যাবে।

এ ছাড়াও ব্যবসায়ীরা ইএফডির পাশাপাশি সেলস ডেটা কন্ট্রোলার (এসডিসি) মেশিনও বসাতে পারবেন। এক্ষেত্রে মেশিনের দাম পড়বে ২৪ হাজার ৫৯৬ টাকা। এটিও ভ্যাট মেশিনের মতো এককালীন কিংবা কিস্তিতে ক্রয় করা যাবে বলে জানিয়েছে এনবিআর।

বেচাকেনা যাই হোক, ২৪ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট মেশিন বসানো বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে এনবিআর।

এ তালিকায় আছে মিষ্টির দোকান, রেস্তোরাঁ, ফাস্ট ফুডের দোকান, আবাসিক হোটেল, বিউটি পারলার, পোশাকের শোরুম, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সুপারশপ, লন্ড্রি, জুয়েলারি বা গয়নার দোকান, কমিউনিটি সেন্টার, ব্যায়ামাগার বা জিম, গৃহস্থালির ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকান, বড় ও মাঝারি ব্যবসা।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন