সংক্রমণের মধ্যেই ২ দফা ইউপি ভোটের চিন্তা

932
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই ৩১ জানুয়ারি ও ৭ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট করবে নির্বাচন কমিশন। ইউপিতে বেশি জনসমাগম হয় না যে ভোট স্থগিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ইউপি নির্বাচন স্থগিত না করলে বাড়তে পারে করোনা সংক্রমণ।

প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা রোগী ও সংক্রমণের হার। এরই মধ্যে শনাক্তের হার ৩২ শতাংশ ছাড়িয়েছে। ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যে দেশে তিন সপ্তাহ ধরে শনাক্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

সংক্রমণ ঠেকাতে এরই মধ্যে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সমাবেশ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। গণপরিবহনেও অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে যাত্রী চলাচলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কমিশনার রফিকুল ইসলাম যুক্তি দেখালেন, বাণিজ্য মেলা চললে ভোট করতে বাধা কোথায়। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ইউপি নির্বাচনের প্রচার চলবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গতবছর এপ্রিলে শনাক্তের হার ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলে স্থগিত হয় ৩৭১ ইউনিয়নের ভোট। অথচ ৩১ জানুয়ারি ষষ্ঠ ধাপে ২১৮ এবং ৭ ফেব্রুয়ারি ১৩৮ ইউপিতে ভোট করবে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে ভোটকে ঘিরে ইউপিগুলোতে জমজমাট প্রচার চলছে। কারোই স্বাস্থ্যবিধি মানা বা মাস্ক পরার বালাই নেই। এতে সংক্রমণ আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে করোনা মোকাবিলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। সীমিত পরিসরে সমাবেশের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও বইমেলা পিছিয়ে দেয়ার সুপারিশ করেছে জাতীয় পরামর্শক কমিটি। ইউপি নির্বাচনও স্থগিতের তাগিদ কমিটির সভাপতির।

একদিকে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ অন্যদিকে মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের। এ পরিস্থিতিতে ১৪ ফেব্রুয়ারির আগেই সব ইউপিতে নির্বাচন শেষ করতে চায় কমিশন।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন