মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এখনই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ কূটনীতি বিশ্লেষকদের

917
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

র‌্যাব এর উপর দেয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ভীত হওয়ার কিছু নেই। তবে বিষয়টি এখনই গুরুত্বের সাথে না নিলে সামনে বড় ধরনের ক্ষতির আশংকা করছেন কূটনীতি বিশ্লেষকরা।

পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান র‌্যাব এর সাবেক ও বর্তমান ৭ কর্মকর্তা এবং সংস্থাটির উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন করে কাজ শুরু করেছে। কিন্তু এরই মধ্যে ১২টি মানবাধিকার সংগঠন জাতিসংঘকে তাদের শান্তিরক্ষা মিশনে এই সংস্থা থেকে কাউকে না নিতে আবেদন জানিয়েছে।

আর মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেস সদস্য এবং পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত হাউস কমিটির চেয়ারম্যান গ্রেগোরি ডব্লিউ মিকস জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে না। আর র‌্যাব এর উপর দেয়া নিষেধাজ্ঞাও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে

কূটনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিষয়টিকে এখনই গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। যেসব ত্রুটি এবং দুর্বলতার কারণে এই নিষেধাজ্ঞা সেগুলো নিয়ে কাজ করাই হবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান দায়িত্ব।

সাবেক কূটনীতিক এম হুমায়ুন কবীর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে। একটা জায়গায় সমস্যা হয়েছে কিন্তু অন্যান্য সম্পর্কগুলো ঠিকমত আছে। তাই আমাদের ইতিবাচক জায়গাগুলো আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। যে জায়গাটায় সমস্যা হয়েছে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সেটি সমাধান করতে হবে।

আর এসব বিষয়ে আগে সতর্ক না থাকার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে তাদের নামে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি, এখানে অন্য খেলা আছে। আমরা তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বাড়াচ্ছি। এই নিষেধাজ্ঞার পিছনে অন্য আর কি খেলা আছে সেগুলো বের করারও চেষ্টা করছি। আমরা আমাদের মতই কাজ করবো এবং সতর্ক ও সচেতনও থাকবো। যে দুর্বলতা আছে সেগুলো দূর করার জন্য কাজ চালিয়ে যাবো।

এই ঘটনায় আর কোনও দেশ যেন প্রভাবিত না হয় এবং এনিয়ে দেশের মধ্যে রাজনীতি হচ্ছে কি না সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন