ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের বিদ্রোহীদের জয় নেতিবাচক নয়

889
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করা বিদ্রোহীদের ব্যাপারে কঠোর শাস্তির পক্ষে নয় আওয়ামী লীগ। দলে রাখা হলেও পদ হারাতে পারেন তারা।
বেশ কিছু জায়গায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের চেয়ে ভালো করেছে দলের বিদ্রোহীরা। তারপরও তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে আসছে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের গেল ছয় ধাপে আওয়ামী লীগেরই বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলো পাঁচ হাজারের বেশি। তাদের মধ্যে এক হাজারের বেশি প্রার্থী দল মনোনীত প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন, তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠরাই বিজয়ী হয়েছেন।

সংসদের বাইরে থাকা বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি এই নির্বাচনে সরাসরি অংশ না নিলেও নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়েছে বলে মনে করেন তারা।তাদের মতে, স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তাদের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যকার তুমুল প্রতিযোগিতায় জনগণেরও অংশগ্রহণ ছিল।

তবে দলের সিদ্ধান্ত যারা মানেন নি, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের বিষয়েও ভাবছে দল। দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘নেতা তো অনেক কিন্তু মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ থাকে একজনকে তাতে বাকিরা কষ্ট পায়, অসন্তষ্ট হয়। তা বলে কি তারা আওয়ামী লীগের সাথে থাকে না, আওয়ামী লীগ করে না, অবশ্যই করে। আওয়ামী লীগ জনগনের প্রিয় সংগঠন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলীয় স্বার্থেই তৃণমূলে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ঐক্য বাড়ানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এখন আওয়ামী লীগের কাছে।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন