রাজধানীর বাতাসে বিষ, নাগরিকের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে কী করছে কর্তৃপক্ষ?

361
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

রাজধানীতে বায়ুদূষণ সংকটে দৈনন্দিন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে ক্যান্সার, শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিবেশ ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই বাতাসের বিষ কমাতে না পারলে সামনে বড় সংকট অপেক্ষা করছে। যদিও বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, দূষণের বিষয়টি মাথায় রেখে উন্নয়ন কাজ পরিচালনায় জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে।

বিশ্বে বায়ু দূষণের অন্যতম শীর্ষ শহর ঢাকা। ক্রমেই দুষনের মাত্রা বাড়ায় বারো মাসই বিষ থাকে ঢাকার বাতাসে। নানা ক্ষতিকর পদার্থ, ধুলা, ধোয়া ও দূষণে ক্যানসারসহ শ্বাসজনিত রোগী বাড়ছে। শীতকালেই সবচেয়ে বেশি ধুলা দূষণ হয় রাজধানীতে। এর মধ্যে শীর্ষে মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকা। ধুলায় সংকটে এখানকার মানুষের জীবন ও জীবিকা।

শ্যামলীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার বলছেন, দূসিত বায়ুতে শ্বাস নেয়ার ফলে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস, এমনকি কিডনি এ লিভার। এমনকি ফুসফুস ক্যান্সারের কারণও দূষিত বায়ু।

এমন অবস্থায় বায়ু দূষণ রোধে কতটা কার্যকর ভূমিকায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়? অবশ্য কিছুক্ষেত্রে অসহায়ত্বের কথা স্বীকার করেছেন সর্বোচ্চ দায়ত্বিপ্রাপ্তরাও। বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলছেন, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও নির্মাণসামগ্রির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারই শহরে বায়ু দূষণের মূল কারণ।

দূষন রোধে সচেতনার পাশাপাশি আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অভিযান পরিচালনার ওপর জোর দিচ্ছে পরিবেশ মন্ত্রনালয়। জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী বলেন, সিটি কর্পোরেশনগুলোর সহায়তা পেলে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বায়ু দূষণ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবদুস সালাম বলছেন, কোন দূষণ, কতটুকু সময়ে কমানো যাবে, এর লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করলেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে রাজধানীর দূষণের মাত্রা।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন