৫ লাখ টাকা অনুদানে হারিছ চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে

469
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

৫ লাখ টাকা অনুদানে হারিছ চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীকে ‘মাহমুদুর রহমান’পরিচয়ে ঢাকার অদূরে সাভারের কমলাপুরের জালালাবাদ জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন-ঢাকা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছে।

জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন-ঢাকা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আশিকুর রহমান জানান, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর আছরের নামাজের পর ‘মাহমুদুর রহমান’নামে একজনকে দাফন করা হয়েছে। তাঁর মরদেহ মেয়ে সামিরা নিয়ে আসেন। মাদ্রাসার নিয়ম অনুযায়ী ৫ লাখ টাকা অনুদানের মাধ্যমে মাদ্রাসার গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

প্রিন্সিপাল বলেন, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সংগে যোগাযোগ করা হয়। জানান, তাদের কোনো আত্মীয়-স্বজন দেশে থাকেন না। সবাই প্রবাসী। সে কারণেই ঢাকাতে দাফন করতে চান। পরেরদিন অর্থাৎ ৪ সেপ্টেম্বর আসরের নামাজের পর জানাজা শেষ করে মাদ্রাসার আঙিনায় দাফন সম্পন্ন হয়। আশিকুর রহমান কাসেমী নিজেই জানাজা পড়ান। মাহমুদুর রহমানই যে হারিছ চৌধুরী তা নিশ্চিত নয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বলে জানান তিনি।

মাদ্রাসার আহসানউল্লাহ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, তাঁর জানাজায় মাদ্রাসার প্রায় সাড়ে তিনশত শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়া তাদের আত্মীয় স্বজন এবং মসজিদের মুসল্লিসহ আরো শতাধিক লোক জানাজায় শরীক হন।

মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের এখানে মাদ্রসার নিয়ম অনুযায়ী ছদকায়ে জারিয়া (অনুদান) যারা দেয় তাদের জন্য একটা সারিতে কবর দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই নিয়মে এখানে কবর দেওয়া হয়, মাহমুদুর রহমানের পরিবার কীভাবে জানলো জানেন না তাঁরা।

তিনি জানান, নিহতের পরিবারের ৪/৫ জন সদস্য দাফনের সময় মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলেন। দাফনে তাঁদের তাড়াহুড়ো ছিল। রাত হয়ে যাচ্ছে বলে সন্ধ্যার আগেই কবর দিয়ে দিতে বলেন পরিবারের সদস্যরা।

মাদ্রাসার এই শিক্ষক জানান, দাফনের দুই সপ্তাহ পরে দুই থেকে তিনজন আত্মীয় কবর দেখতে এসেছিলেন। এরপর গত এক বছরের মধ্যে আর কেউ আসেননি।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন