বাংলাদেশে বিনিয়োগে নীতিগত ও অবকাঠামো সহায়তা দেবে সরকার

279
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

বিশ্বের সেরা গন্তব্য হিসেবে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশকে যাতে বেছে নিতে পারে সেজন্য নীতিগত এবং অবকাঠামোগত সহায়তা নিশ্চিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ বিজনেস কাউন্সিল প্রতিষ্ঠায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান তিনি।

মহামারীর মধ্যেও অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখা বিশ্বের গুটিকয়েক দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের বিস্ময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের যৌথ আয়োজনে দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠানে আবুধাবি থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধার গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিশেষে অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাই-টেক পার্কগুলো নতুন উদ্যোগের জন্য প্রস্তুত।

বাংলাদেশের বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার এবং এ অঞ্চলের আশপাশের বাজারগুলো এখনও আনকোরা রয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে দুই দেশের মধ্যে একটি যৌথ বিজনেস কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করতে এফবিসিসিআই এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত চেম্বার্স অ্যান্ড কমার্স একটি সমঝোতা স্মারক সই করেন।

এতে এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ মোহামেদ আল মাজরোই সই করেন।

এর আগে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা এবং উচ্চ প্রযুক্তির হস্তান্তর ও বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন. ‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কৃষি গবেষণা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ৩৬ তম আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তার পেশকৃত তিনটি সুপারিশের মধ্যে প্রথম সুপারিশে এ কথা বলেন।

তিনি তাঁর দ্বিতীয় পয়েন্টে বলেছেন, জৈব-প্রযুক্তি, ন্যানো প্রযুক্তি, এবং রোবোটিক্সের মতো প্রযুক্তি কৃষি খাতে উচ্চ প্রযুক্তির হস্তান্তর ও বিনিময়ের মাধ্যমে এ অঞ্চলের ফাওর’ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে জোরদার করতে হবে।

চূড়ান্ত পয়েন্টে তিনি আরো বলেন: ‘যেহেতু আধুনিক কৃষির জন্য প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন সেজন্য কৃষি খাতে অর্থায়ন ও সহায়তার জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা যেতে পারে।’

শেয়ার করতে ক্লিক করুন