কিয়েভে রাশিয়ার হামলায় নিহত ২২৮

230
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে কিয়েভে চার শিশুসহ ২২৮ সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ শহর কর্তৃপক্ষ।

এক বিবৃতিতে কিয়েভ শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, এখন পর্যন্ত প্রায় ৯১২ জন আহত হয়েছেন।

এ ছাড়া ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৮৪৭ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে ৬৪ জন শিশু। এ অভিযানে ৭৮ শিশুসহ এক হাজার ৩৯৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ মার্চ) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার বরাতে বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ৮১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। পরে শুক্রবার আরও ৩১ জনের মৃত্যু হওয়ায় তা বেড়ে ৮৪৭ জনে দাঁড়ায়। তবে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

জাতিসংঘের সংস্থাটির তথ্যমতে, হতাহতদের অধিকাংশই বিমান হামলা এবং গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন। বিমান থেকে ফেলা বোমার আঘাতে যেসব অঞ্চলে বড় এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখানে হতাহতের সংখ্যা বেশি।

এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত রাশিয়ার ১৪ হাজার সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।

শনিবার (১৯ মার্চ) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ দাবি করে। বলা হয়, ইউক্রেনে মস্কোর সামরিক অভিযানের প্রথম তিন সপ্তাহে ১৪ হাজার ৪০০ রুশ সেনা নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া কিয়েভ আরও দাবি করেছে, সামরিক সরঞ্জামের বিশাল একটা অংশ হারিয়েছে রুশ বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানায়, ১ হাজার ৪৭০টি সামরিক যান, ৪৫০টি ট্যাংক, ১০০টি যুদ্ধবিমান, ১১২টি হেলিকপ্টার, ১২টি ড্রোন ও ৩টি জাহাজ ধ্বংস করেছে তাদের বাহিনী।

ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা অবশ্য বলছে, গত তিন সপ্তাহের যুদ্ধে ৭ হাজার রুশ সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১ হাজার। তবে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো বলছে, হতাহতের এসব সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। রাশিয়া জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের পাঁচশর মতো সেনা নিহত হয়েছেন।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সামরিক অভিযান ঘোষণার কয়েক মিনিট পরই ইউক্রেনে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে রুশ সেনারা। এরপর গত তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন