মানবাধিকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন নাকচ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

366
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতিতে সরকারের দায়মুক্তি দেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তা নাকচ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তবে বাংলাদেশ এই প্রতিবেদনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেবে না জানিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এক বছর ধরে এই প্রতিবেদনটি বানিয়েছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই প্রতিবেদনের ওপর প্রতিক্রিয়া দেওয়া সমীচীন হবে না।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ২০২১ সালে মানবাধিকার চর্চার ওপর প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

এই প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা ইস্যুটিও ভুলভাবে মার্কিন রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১০/১২ জন রোহিঙ্গা ভাসানচর থেকে পালানোর সময় নৌকাডুবি হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে। এটাও কি আমাদের দোষ? আমাদের ঘাড়ে এ দোষ চাপানো হয়েছে।

এলজিবিটিদের জন্য বাংলাদেশে আইন নেই এবং বাংলাদেশ তাদের প্রয়োজন মেটাতে পারছে না- প্রতিবেদনের এই অংশের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা আমাদের ইসলাম ধর্মের পরিপন্থী। পৃথিবীর এমন একটা মুসলিম দেশ দেখান যারা এলজিবিটিকে অনুমোদন দেয়। যত দেশ বা সংস্থা থেকে চাপ আসুক না কেন এলজিবিটি প্রশ্নে কোনো ছাড় দেবে না বাংলাদেশ। এটা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বিরোধিতা করা হবে, ধর্মের সঙ্গে বিরোধিতা করা হবে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার ইতিহাসও এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে রাজনৈতিক বন্দি বলা হয়েছে। তিনি তো রাজনৈতিক বন্দি নন। আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যতবার এ নিয়ে কথা বলেছি, সেখানে আমরা সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। তাকে মানবিক কারণে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে বাসায় থাকতে দেওয়া হয়েছে। তার বিদেশে যাওয়ার প্রশ্নটাও অমূলক ছিল।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন