দলমত নির্বিশেষে সবার ঠিকানা নিশ্চিত করবে সরকার

16
শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

দলমত নির্বিশেষে সবার ঠিকানা নিশ্চিত করবে সরকার
দলমত নির্বিশেষে সরকার সবার জন্য ঠিকানা নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় দেশবাসীকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশে ভূমি ও গৃহহীন মানুষের জন্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের আওতায় আরও ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।

স্থানগুলো হচ্ছেঃ লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলাধীন চরকলাকোপা আশ্রয়ণ প্রকল্প, বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলাধীন গৌরম্ভা আশ্রয়ণ প্রকল্প, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলাধীন চর ভেড়ামারা আশ্রয়ণ প্রকল্প, পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় সদর উপজেলাধীন মহানপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প ও মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলাধীন জাঙ্গালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলার সব কটি উপজেলাসহ ৫২টি উপজেলাকে গৃহ ও ভূমিহীন মুক্ত উপজেলা ঘোষণা করেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার (১৮ জুলাই) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভূমি ও গৃহহীন এসব মানুষের কাছে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করবেন। পাঁচটি জেলার পাঁচটি স্থানের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে দেশব্যাপী মোট ৬৭ হাজার ৮০০টি ঘর দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বাকি ৮ হাজার ৬৬৭টি ঘর নির্মাণাধীন। প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২২ পর্যন্ত ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি বাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬৩ হাজার ৯৯৯ গৃহ ও ভূমিহীন পরিবার তাদের মাথার ওপর ছাদ পায়।

আর গত বছরের ২০ জুন আশ্রয়ণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি পরিবার ঘর পায়।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে অধিকতর টেকসই ও জলবায়ু সহিষ্ণু করে গড়ে তুলতে ঘরগুলোর নকশা পরিবর্তন করা হয়। এতে ঘরগুলোর নির্মাণ খরচ বেড়ে যায়। আর এ জন্যই এখন গৃহ ও ভূমিহীন মানুষ দুই শতাংশ জমির ওপর আরও উন্নতমানের টিনশেডের আধাপাকা ঘর পাবে। ঘরগুলোকে অধিকতর টেকসই করে গড়ে তোলায় প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত হয়। ঘরগুলো অধিকতর টেকসই করতে কড়ই কাঠ, পাথর ও রিইনফোর্স কংক্রিট কলাম (আরসিসি) পিলার ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন