‘আমরা যুদ্ধ ও সংঘাতের ক্ষতি বুঝি, প্লিজ যুদ্ধ থামান’

142
শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যুদ্ধ এবং সংঘাতের ক্ষতিটা বুঝি। সে জন্য আমি বিশ্ব নেতাদের আহ্বান জানাই দয়া করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে ‘আন্তর্জাতিক ওমেন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি সেমিনার ২০২২’ এ তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, যেকোনো দেশের যেকোনো সংঘাত সংলাপ, রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতে পারে। আমরা কোনো যুদ্ধ চাই না। আমরা চাই না কোনো মানুষ উদ্বাস্তু হোক। কারণ আমার সব অভিজ্ঞতা আছে। এ সময় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সেমিনারে নারীদের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, এটা প্রশ্নাতীত, নারীরা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে। তারা বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা, অপুষ্টি, অশিক্ষা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদার শিকার। যেকোনো সংঘাত ও দুর্যোগে তাদের দুর্দশা বহুগুণ বেড়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার সরকার নারী নীতি ২০১১ প্রণয়ন করেছে। ওই নীতির অধীনে, আমরা মূলধারার আর্থ-সামাজিক কার্যক্রমে নারীদের উন্নয়ন এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত এবং তাদের ক্ষমতায়নের সব প্রতিবন্ধকতা দূর করার ব্যবস্থা নিয়েছি। রাজনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, ব্যবসা, খেলাধুলা, সশস্ত্র বাহিনী ইত্যাদি খাতে তাদের অংশগ্রহণ ও অবদান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক দৃশ্যপটকে বদলে দিয়েছে।

নারীদের শান্তি ও নিরাপত্তার সমস্যা সমাধানের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রেজুলেশন গ্রহণ করার প্রশংসা করে তিনি বলেন, জাতিসংঘ নারী শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডা প্রতিষ্ঠা করেছে। সেই রেজুলেশন প্রণয়নে অংশ নিতে পেরে বাংলাদেশ গর্বিত।

শেখ হাসিনা বলেন, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণের কারণে বাংলাদেশে জেন্ডার সমতা সব ক্ষেত্রেই উন্নত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে লিঙ্গ সমতায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন