মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ গণফোরাম- মোহসীন মন্টু

78
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার প্রতিষ্ঠায় গণফোরাম প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকবে মন্তব্য করে গণফোরামের একাংশের সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটাধিকার, বৈষম্য মুক্ত সমাজ, বাক স্বাধীনতা, ন্যায় বিচার, সর্বপরি জনগণের শান্তি ও শোষন মুক্ত সমাজ। আজকে আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠায় গণফোরাম প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। মহান স্বাধীনতা দিবসে ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জানান তিনি।

রোববার ২৬ মার্চ সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তাদের স্মৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মোহসীন মন্টু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, ৭০ এর নির্বাচনের মত সুষ্ঠু নির্বাচন। আজ দেশে সেই মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার ও চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করা হয়েছে। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। দেশে চলছে লুটতরাজ, গুম হত্যা, মানিলন্ডারিং।

তিনি বলেন, ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে হাসিমুখে জীবন বিলিয়ে দেয়া ৩০ লক্ষ শহীদ ও সম্ভ্রম হারানো ২ লক্ষ মা-বোনদের। আমরা ভৌগলিক মানচিত্র পেয়েছি। পতাকা পেয়েছি। কিন্তু গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জনগণের ভোটাধিকার পাইনি। জনগণের স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাই আজ সময় এসেছে এসবের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।

মোহসীন মন্টু আরো বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে সোচ্চার থাকবে গণফোরাম।

গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী বলেন, বিগত ১৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার মুখে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের কথা বলে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কর্মকাণ্ডের মাধ্যম জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলছে। গণফোরাম জনতার পক্ষে, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পক্ষে সকল অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলবো এটাই আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সভাপতি পরিষদ সদস্য- আব্দুল হাসিব চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ফারুক, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক তাজুল ইসলাম, ছাত্র সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ সানজিদ রহমান শুভ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান বুলু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এম.এ. কাদের মার্শাল, মহানগর উত্তরের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ ফরিদুল হক, মোঃ মাহফুজু আহমেদ, গুলজার হোসেন, মহানগর দক্ষিণের দপ্তর সম্পাদক মরণ কুমার দাস, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এস.এম. সোলায়মান অয়ন প্রমুখ।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন