বিআইডব্লিউটিএ’র সিবিএ সভাপতি ও  সিবিএ নিয়ে অপপ্রচারের নিন্দা

220
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) নেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমুলক মামলা দায়ের ও সিবিএ নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সিবিএ সভাপতি এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের বিআইডব্লিউটিএ শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ বিআইডব্লিউটিএ শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেন। মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি মিথ্যা অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতিসহ সিবিএর ৮ নেতাকর্মীকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে সিবিএ সভাপতি বলেন, সম্প্রতি তথ্য অধিকার আইনের আলোকে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের কাছে দৈনিক মুক্ত খবর নামে একটি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার জনৈক মো. উজ্জল হোসেন এর তথ্য চাওয়ার প্রেক্ষিতে মন্ত্রনালয় থেকে সিবিএ সভাপতি ও সিবিএ সম্পর্কে কিছু তথ্য চেয়ে বিআইডব্লিউএকে চিঠি দেয়। কিন্তুু একটি মহল মন্ত্রনালয়ের ঐ চিঠির ‘তথ্য অধিকার আইনের আলোকে চাওয়ার বিষয়টি’ মুছে দিয়ে ‘মন্ত্রনালয় থেকে দুর্নীতির তথ্য তলব করা হয়েছে’ বলে অপপ্রচার চালিয়ে সংগঠন ও সংগঠনের নেতাদের ভাবমুর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। কারণ তথ্য অধিকার আইনের আলোকে তথ্য চাওয়া আর মন্ত্রনালয় থেকে দুর্নীতির তথ্য তলব করা এক বিষয় নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নিবন্ধিত হয়। কিন্তুু  কমিটি নিয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলমান থাকায় শ্রম আইন অনুযায়ী নতুন নির্বাচন করা সম্ভব হচ্ছে না বিধায় পূর্বের কমিটি বহাল রয়েছে শ্রম আইন অনুযায়ী। বিআইডব্লিউটিএ সিবিএ নেতারা অভিযোগ করেন ‘সিবিএ’ সংগঠনে পদ-পদবী না পেয়ে বিভিন্ন সময়ে আবুল হোসেনদের নামে মামলা দিয়ে আসছে একটি গ্রুপ। শেষ পর্যায়ে মামলাগুলো খারিজ হয়ে যায়। কারণ মামলার বাদী ‘সাক্ষ্য-প্রমাণ’ আদালতে দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং আদালত অসংখ্যবার মামলার শুনানিতে ডাকলেও হাজিরা না দেয়ায় আদালত মামলাগুলো খারিজ করে দেয়। এতে আবুল হোসেন ও তার সংগঠনের নেতাকর্মীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে; কিন্তু ওসমান গনির দেয়া এক মামলা শেষ না হতেই শুরু হয় আরেক মামলায় হয়রানি।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিআইডব্লিউটিএ’র শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন হয়। এর নং-২১৭৬। একই বছর ২২ জুন নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যকরী কমিটিতে আবুল হোসেন সভাপতি ও রফিকুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক হন। এর ৩ মাস পরে হাইকোর্টে সিবিএ রেজিস্ট্রেশনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে র্দুর্নীতির সংবাদও প্রকাশিত হয়। ফলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত কমিটি গঠন করে।

কমিটির ৬ বছর তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে গত বছরের ২২ জুন সভাপতি আবুল হোসেনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় দুইবার তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বিআইডব্লিউটিএ’র আইন অনুযায়ী এবং দুদকের মামলার নিষ্পত্তির সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।

শেয়ার করতে ক্লিক করুন