রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে উদারতা দেখানোর সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

413
শেয়ার করতে ক্লিক করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নতুন করে আমরা কোনো রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশ করতে দেব না। আমরা একবার উদারভাবে সীমান্ত খুলে দিয়েছি। এখন সেই উদারতা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই।

বুধবার রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক যে সাহায্য ছিল, সেটা অনেক কমে গেছে। এমন অবস্থায় এই বোঝা আমরা আর কত দিন বইব?
তিনি বলেন, এটা মিয়ানমারের নিজস্ব সমস্যা। আরাকান আর্মিদের সঙ্গে সংঘর্ষ তাদের দেশের সমস্যা। তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে তারা কী করবে, এটা তাদের ব্যাপার। তাদের সমস্যার জন্য আমাদের এখানে যেন কোনো শঙ্কা বা উদ্বেগ না হয়, সে বিষয়ে যারা যারা সংশ্লিষ্ট, তাদের সঙ্গে কথা বলব। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে গিয়েছেন। চীনের সঙ্গেও আমরা আলাপ–আলোচনা করছি।

বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন , আন্দোলনে ব্যর্থ ও নির্বাচনে না আসায় বিএনপি এখন চরম হতাশ। সেই হতাশা কাটাতে দলটির নেতারা এখন সরকার বিরোধীতার নামে বিরোধীতাই তারা করবে এটা তারা সিদ্ধান্ত নিয়েই করেছে। সরকারের ইতিবাচক হলেও নেতিবাচক কিছু বলতে হয় সেরকম উক্তি করছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা এবং ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাচ্ছে না।  সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প চলবে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।
এর আগে সেতুভবনে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করে বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে ব্যক্তিগত ক্ষোভের কথা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন। সড়ক দুর্ঘটনা এবং ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাচ্ছে না।
সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পকে অগ্রাধিকার প্রকল্প উল্লেখ করে এখন থেকে নিজেই তত্ত্বাবধান ও মনিটরিং করবেন বলে জানান সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী। প্রকল্পের দুর্নীতির বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেয়ার করতে ক্লিক করুন